ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে রাজধানীতে বইছে ঝোড়ো হাওয়া, চলছে বৃষ্টিপাত। ঝোড়ো হাওয়ার কারণে নগরের বেশ কয়েক জায়গায় গাছ উপড়ে বা ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার দুপুরের দিকে ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর থেকে লিডার শফিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে রাজধানীতে বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়া বইছে। এতে মিরপুর, উত্তরা, কুর্মিটোলা, বারিধারা ও মোহাম্মদপুরে গাছ উপড়ে পড়া এবং কিছু জায়গায় গাছের ডাল ভেঙে পড়ার খবর পেয়েছে ফায়ার সার্ভিস। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে ভেঙে পড়া গাছ ও ডাল অপসারণে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা কাজ করছেন বলেও জানান শফিকুল ইসলাম। তিনি আরও বলেন, আরও বিভিন্ন জায়গা থেকে গাছ পড়ে যাওয়ার সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে। রাজধানীতে মোট কতটি গাছ ভেঙে পড়েছে, এখনো তার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে উল্লেখ করেন ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা। ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে উত্তরায় একটি গাছ ভেঙে সড়কে থাকা গাড়ির ওপরে পড়েছে। তবে দুর্ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। গতকাল সোমবার দুপুর ১২টার পর উত্তরার জসিমউদ্দীন রোড এলাকায় গাছটি ভেঙে সড়কে চলন্ত প্রাইভেটকার ওপরে পড়ে। ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের লিডার জীবন মিয়া জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সেখানে গিয়ে গাছটি অপসারণ করেন এবং রাস্তা পরিষ্কার করেন। দুর্ঘটনায় আহত বা নিহতের কোনো সংবাদ মেলেনি। ফায়ার সার্ভিস জানায়, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়ায় মিরপুর, উত্তরা, কুর্মিটোলা, বারিধারা ও মোহাম্মদপুরে গাছ উপড়ে পড়া এবং কিছু জায়গায় গাছের ডাল ভেঙে পড়ার খবর পেয়েছে ফায়ার সার্ভিস। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে ভেঙে পড়া গাছ ও ডাল অপসারণে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা কাজ করছেন। এর আগে গত রোববার রাতে উপকূলে আঘাত হানা প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমাল বৃষ্টি ঝরিয়ে ক্রমশ নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আরও বৃষ্টি ঝরিয়ে এটি দুর্বল হয়ে দেশের পশ্চিম-উত্তর দিকে চলে যাচ্ছে। আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানিয়েছেন, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ উত্তরদিকে অগ্রসর হয়ে উপকূল অতিক্রম করে। এটি দুর্বল হয়ে বর্তমানে যশোর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় স্থল গভীর নিম্নচাপ হিসেবে অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমশ বৃষ্টি ঝড়িয়ে দুর্বল হয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এই অবস্থায় পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপৎসংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ (নয়) নম্বর মহাবিপৎসংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ভেঙে পড়েছে গাছ
- আপলোড সময় : ২৮-০৫-২০২৪ ১২:০১:৩১ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৮-০৫-২০২৪ ১২:০১:৩১ অপরাহ্ন


কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ